Tag Archive | যুক্তি

একটি সাধারণ সার্বীয় বলদের যুক্তি

এই পৃথিবীতে বিস্ময়কর অনেক ঘটনা ঘটে, বং আমাদের দেশ যেমন অনেকে বলে থাকে, বিস্ময়কর জিনিসে এত বেশি ভরপুর যে বিস্ময়কর জিনিস আর বিস্ময়কর নেই। এখানে খুব উঁচু পদে এমন লোকেরা আছেন যারা একেবারেই কোনো চিন্তা ভাবনা করেন না এবং ক্ষতিপূরণ হিসাবে বা অন্য কোনও কারণে, সাধারণ কৃষকের বলদ, যা অন্য সার্বিয়ান গরুর চেয়ে কিছুমাত্র আলাদা নয়, ভাবতে শুরু করেছে। ঈশ্বরই জানেন এমন কি ঘটেছিল যার কারণে এই বুদ্ধিমান প্রাণীটি এই ধরনের সাহসী প্রচেষ্টা করার সাহস পেয়েছে। আসুন তাহলে বলা যাক যে এই বেচারা প্রাণীটি এতই সরল যে সে জানতনা এই প্রচেষ্টা তার স্বদেশে লাভজনক নয় সুতরাং আমরা তাকে কোনও বিশেষ নাগরিক সাহসে গুনী বলব না।তবে এটি এখনও একটি রহস্য হিসাবে রয়ে গেছে যে কেন একটি বলদের চিন্তা করার প্রয়োজন পড়েছিল যখন সে ভোটদাতা নন, কাউন্সিলর নন, ম্যাজিস্ট্রেট ও নন, তাকে কোনো গবাদি সমাবেশের ডেপুটি হিসেবে ও নির্বাচিত করা হয়নি এমনকি (যদি সে একটি নির্দিষ্ট বয়সে পৌঁছেছে) একজন সিনেটর হিসাবেও নন। এবং যদি অবলা প্রাণী কোনও গবাদি দেশের রাজ্য মন্ত্রী হওয়ার স্বপ্ন দেখত তবে তাঁর জানা উচিত ছিল যে বিপরীতভাবে তার কম চিন্তা ভাবনা করার প্রয়োজন, কিছু সুখী দেশের দুর্দান্ত মন্ত্রীদের মত, যদিও আমাদের দেশ এ ক্ষেত্রে এতটা ভাগ্যবান নয়। অবশেষে কেন সার্বিয়ার একটি বলদ প্রচেষ্টা গ্রহণ করেছে যা এখানকার মানুষ করা ছেড়ে দিয়েছে সে নিয়ে আমরা কেন চিন্তা করব? এছাড়াও, হপ্তে পারে এই প্রাণীটি কোন প্রাকৃতিক প্রবৃত্তির কারণে চিন্তাভাবনা করা শুরু করেছে।

তাহলে এটি কোন ধরনের বলদ? একটি সাধারণ বলদ, যেমন প্রাণিবিদ্যায় আমরা দেখে থাকি অন্যান্য বলদের মতোই একটি মাথা, দেহ এবং পা আছে; এটা গাড়ি টানে, ঘাস চড়ে খায়, নুন চাটে, জাবর কাটে ও ডাক ছারে। এর নাম সিভোনিয়া, একটি ধূসর রঙের বলদ।

সে এই ভাবে চিন্তা ভাবনা করতে শুরু করে। একদিন ওর মালিক ওর এবং ওর বন্ধু গালোনিয়া কে জোয়াল বাঁধে এবং গাড়িতে কিছু চুরি করা  বেড়া দেওয়ার পাটা বোঝাই করে বিক্রি করতে শহরে নিয়ে গেলেন। প্রায় শহরে প্রবেশ করার সাথে সাথেই তিনি পাটাগুলি বিক্রি করে দেন ও এবং সিভোনিয়া এবং তার বন্ধু কে জোয়াল থেকে মুক্ত করেন জোয়ালের সাথে যে শিকল দিয়ে বাঁধা থাকে সেটা হুকে লাগিয়ে জোয়ালের সাথে খাবার রেখে আনন্দের সাথে একটি সরাইখানায় ঢুকে যান পান করতে। শহরে সেদিন কোন উৎসব চলছিল তাই সেখানে পুরুষ, মহিলা এবং শিশুরা চারপাশ দিয়ে হাঁটাচলা করছিল। গালোনিয়া কে অন্যথায় অন্য বলদরা বোকা বলে জানত, সে কোনো কিছুর দিকে তাকাত না, পরিবর্তে, সে মনোযোগ দিয়ে নিজের খাবার খেতো, পেট ভরে খাবার খেতো, অনন্দে খানিকটা ডাক ছাড়ত তারপর শুয়ে পরে আরাম করে জাবর কাটত। আশপাশ দিয়ে হেঁটেচলা মানুষদের প্রতি তার কোনো ভ্রূক্ষেপ ছিল না। সে কেবল ঘুমাতে ঘুমাতে আরাম করে জাবর কাটছিল (দুঃখের বিষয় সে মানুষ ছিল না, কোনো উচ্চ পদ ধরণের সমস্ত গুন তার ছিল)। কিন্তু সিভোনিয়া কিছুই খেতে পারছিল না। তার স্বপ্নালু চোখ এবং মুখের দুঃখের অভিব্যক্তি এক নজর দেখলেই বোঝা যেতো একজন চিন্তাবিদ, এবং মধুর ব্যক্তিত্বপূর্ণ প্রাণী। যারা তাকে পেরেই যাচ্ছিল সেই সব লোকেরা, সার্বিয়রা, তাদের নাম, তাদের জাতি সম্পর্কে গর্বিত ছিল এবং গর্ব তাদের আচরণ এবং গতিতে প্রতিফলিত হচ্ছিল। সিভোনিয়া এই সব লক্ষ করছিল এবং হঠাৎ এই প্রচণ্ড অন্যায়ের কারণে তার প্রাণ দুঃখে ও বেদনাতে ভরে ওঠে এবং সে এই দৃঢ় আকস্মিক ও শক্তিশালী আবেগে ডুবে যেতে পারছিল না; তাই সে দুঃখে ডাকতে শুরু করে এবং তার চোখ দিয়ে জল ঝরতে শুরু করে। এবং তার এই প্রচণ্ড বেদনায় সিভোনিয়া ভাবতে শুরু করে:

– আমার মালিক এবং তার সঙ্গী, সার্বিয়দের এত গর্ব কিসের? কেন তারা নিজেরদের মাথা উঁচু করে আমার লোকদের দিকে অহংকার ও অবজ্ঞার চোখে দেখে? তারা তাদের মাতৃভূমির জন্য গর্বিত, গর্বিত যে করুণাময় ভাগ্য তাদের এখানে সার্বিয়াতে জন্ম গ্রহণ করতে দিয়েছে। আমার মা ও এখানে সার্বিয়াতে আমায় জন্ম হয়েছে সার্বিয়া কেবল আমার জন্মভূমিই নয়, আমার পিতারও এবং আমার পূর্বপুরুষরাও ঠিক ওদের মতোই একসাথে, পুরানো স্লাভিক জন্মভূমি থেকে এই দেশে এসেছিলেন। এবং তবুও আমাদের মধ্যে কোনও গরু এটিকে নিয়ে গর্ববোধ করেনি, আমরা কেবল ভারি ওজন চড়াই বেয়ে উপরে টেনে নিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে গর্ব বোধ করি; আজ পর্যন্ত কোনো বলদ কোন জার্মান বলদ কে বলেনি: “আমার থেকে কি চাও, আমি একটি সার্বিয় বলদ, আমার জন্মভূমি সার্বিয়ার গর্বিত দেশ, আমার পূর্বপুরুষরা সেখানে বাছুর ছিল এবং এখানে এই দেশে আমার পূর্বপুরুষদের কবর রয়েছে।“ ঈশ্বরের দোহাই, আমরা কখনও এই নিয়ে গর্ব করিনি, এই কথা আমাদের মাথায় কখনও আসেনি, কিন্তু এরা এ বিষয় গর্বিত। অদ্ভুত মানুষ!

এই চিন্তা করতে করতে, বলদটি দুঃখের সাথে মাথা নাড়ে, তার গলার ঘন্টা বাজতে থাকে ও জোয়ালে শব্দ হয়। গালোনিয়া চোখ খোলে তার বন্ধুর দিকে তাকিয়ে বলল:

– আমার তুমি আজেবাজে কথা বলছ! আরে বোকা খাবার খাও, মোটা হও, তোমার পাঁজর বেরিয়ে আছে; যদি ভেবে কিছু ভালো হত তাহলে মানুষ বলদের ভাবনা চিন্তা করার দায়িত্ব দিত না। কোনওভাবেই আমরা এত ভাগ্যবান হতাম না!

সিভোনিয়া নিজের বন্ধুর দিকে করুণার সাথে তাকাল, তার দিকে থেকে মুখ ফিরিয়ে নিল এবং নিজের চিন্তায় ডুবে গেল।

– তারা তাদের গৌরবময় অতীত সম্পর্কে গর্বিত। তাদের রয়েছে কসোভোর মাঠ, কসোভোর যুদ্ধ। এটা কি কোন গর্বের কথা, আমার পূর্বপুরুষরা কি তখন খাবার এবং অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে গাড়ি টানেনি? আমরা না থাকলে মানুষদের এই কাজ করতে হত। তারপরে তুর্কিদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ছিল। একটি দুর্দান্ত, মহৎ প্রচেষ্টা, কিন্তু সেই সময়ে কে ছিল? এই নাক উঁচু বোকার দল, আমার সামনে দিয়ে গর্ব করে হেঁটে যাচ্ছে এদের বুদ্ধিতেই যেন সব হয়ছিল, বিদ্রোহ কে শুরু করে? এখানে, আমার মালিক কে উদাহরণ হিসাবে ধরুন। তিনিও এই বিদ্রোহ নিয়ে খুব গর্বিত, বিশেষত তাঁর প্রপিতামহ একজন সত্যিকারের বীরের মতন মুক্তিযুদ্ধে মারা গিয়েছিলেন সে বিষয়। কিন্তু এতে আমার মালিকের কি অবদান আছে? তার প্রপিতামহের অধিকার আছে গর্ব করার, কিন্তু মালিকের কোনো অধিকার নেই; তার প্রপিতামহ মারা গিয়েছিলেন যাতে তার বংশধররা মুক্ত হতে পারেন। সুতরাং মালিক মুক্তি পেয়েছেন, কিন্তু মালিক এই মুক্তি কিভাবে কাজে লাগিয়েছে? তিনি অন্যদের বেড়া চুরি করেন, গাড়িতে বসেন এবং আমাকে বেড়া এবং তাকে টেনে আনতে হয়ছে যখন লাগাম ধরে ঘুমাচ্ছিল। এখন সে বেড়া বিক্রি করে দিয়ছে, মদ পান করছেন, আর অতীতের গর্ব করা ছাড়া আর কিছুই করছেন না। আমার পূর্বপুরুষদের মধ্যে কতজন বিদ্রোহের সময় যোদ্ধাদের খাবার খাওয়াতে গিয়ে মারা গিয়েছিলেন? এবং আমার পূর্বপুরুষরা কি সেই সময় অস্ত্র, কামান, খাবার, গোলাবারুদ টেনে নিয়ে যাননি? এবং তবুও আমরা তাদের অবদানের জন্য গর্ববোধ করি না কারণ আমরা বদলায়নি; আমাদের পূর্বপুরুষরা যেমন ধৈর্য ও আন্তরিকতার সাথে নিজেদের দায়িত্ব পালন করে যেত আমরাই ঠিক তাই করি।

তারা তাদের পূর্বপুরুষদের কষ্ট এবং পাঁচশত বছরের দাসত্ব নিয়ে গর্বিত। আমার আত্মীয়রা আমাদের অস্তিত্ব জুড়ে কষ্ঠ ভোগ করেছে এবং আজও আমরা কষ্ট ভোগ করেছি এবং ক্রীতদাস হয়ে আছি, এবং তবুও আমরা প্রতিবাদে চিৎকার করি না। তারা বলে যে তুর্কিরা তাদের উপর অত্যাচার করেছিল, তাদের হত্যা করেছিল; কিন্তু আমার পূর্বপুরুষদের সার্ব এবং তুর্ক দুই পক্ষই জবাই করেছে, রান্না করেছে, এবং সমস্ত ধরণের নির্যাতন চালিয়ে গেছে।

তারা তাদের ধর্ম নিয়ে গর্বিত এবং তবুও তারা কিছুই বিশ্বাস করে না। আমার এবং আমার লোকরা কি দোষ করেছে যে আমরা খ্রিস্টান হওয়ার যোগ্য নয়? তাদের ধর্ম তাদের বলে “তুমি চুরি কোরো না” এবং সেখানে আমার মাস্টার চুরি করেছেন এবং চুরির টাকায় মদ খাচ্ছেন। তাদের ধর্ম তাদের প্রতিবেশীদের ভালবাসতে নির্দেশ দেয় কিন্তু তারা শুধু একে ওপরের ক্ষতি করে। তাদের জন্য, সর্বোত্তম পুরুষ, পুণ্যের উদাহরণ, হ’ল সেই ব্যক্তি যিনি কোনও ক্ষতি করেন না এবং অবশ্যই কেউ ক্ষতি না করা বাদ দিয়ে কাউকে ভাল কিছু করার কথা বলে না। এতটাই নিচু তাদের গুণাবলীর উদাহরণ, ক্ষতি কর না, এইরকম অপ্রয়োজনীয় ব্যবহার।

বলদটি গভীর দীর্ঘশ্বাস ফেলে এবং দীর্ঘশ্বাসের সাথে রাস্তার ধুলো ওড়ে।

– তাই – বলদটি দুঃখের কথা ভাবতে থাকলো- এক্ষেত্রে আমি এবং আমার আত্মীয়রা ওদের সবার চাইতে ভালো নয় কি? আমি কখনও কাউকে খুন করিনি, কাউকে কখনও অপমান করিনি, কিছু চুরি করিনি, কোন নিরীহ মানুষকে জনগনের সেবা থেকে বরখাস্ত করিনি, রাষ্ট্রীয় কোষাগারে কোনও ঘাটতির কারণ হইনি, জাল দেউলিয়া ঘোষণা করিনি, আমি কখনও নিরীহ মানুষকে শিকল দিয়ে বেঁধে গ্রেপ্তার করিনি, আমি কখনও আমার বন্ধুদের নিন্দা করিনি, আমি কখনও আমার বলদ নীতির বিরুদ্ধে যাইনি, মিথ্যা সাক্ষ্য দিইনি, আমি কখনই প্রতিমন্ত্রী ছিলাম না এবং কখনই দেশের কোনও ক্ষতি করিনি, এবং আমি কেবল কোনও ক্ষতিই করিনি, এমনকি যারা আমার ক্ষতি করে তাদেরও ভালো করার চেষ্টা করি। আমার মা আমাকে জন্ম দিয়েছেন এবং সঙ্গে সঙ্গে দুষ্ট লোকেরা আমার কাছ থেকে আমার মায়ের দুধ নিয়ে নেয়। ঈশ্বর বলদের জন্য ঘাস সৃষ্টি করেছেন, মানুষের জন্য নয় তবুও তারা আমাদের এ থেকে বঞ্চিত করে। তবুও, এই মারধোরের পাশাপাশি আমরা মানুষের জন্য তাদের গাড়ি টানি তাদের ক্ষেত চাষ করি তাদের খাবার খাওয়াই। এবং তবুও কেউ আমাদের যোগ্যতা স্বীকার করে না যা আমরা মাতৃভূমির জন্য করি …

– অথবা উদাহরণ হিসাবে উপবাস করা নেওয়া যাক; মানুষদের তাদের ধর্ম বলে সমস্ত ভোজের দিনে উপোস করতে তবুও তারা এই সামান্য উপবাস সহ্য করতেও রাজি নয়, যখন আমি এবং আমার স্বজাতিরা সারাজীবন উপবাস করে চলেছি, যখন থেকে মায়ের স্তনের দুধ কেড়ে নেওয়া হয়।

বলদ মাথা নিচু করল যেন সে খুব উদ্বিগ্ন, তারপর আবার মাথা তুলল, ক্রোধের সাথে ফুঁসতে লাগল, মনে হচ্ছিল কোনো গুরুত্বপূর্ণ কথা তার মনে পরছিল, তাকে যন্ত্রণা দিচ্ছিল; হঠাৎ সে আনন্দে ডাকতে শুরু করে:

– ওহ, আমি এখন জানি, এটি হওয়া উচিত – এবং সে ভাবতে থাকে – এটাই হবে; তারা তাদের স্বাধীনতা এবং নাগরিক অধিকার নিয়ে গর্বিত। আমার এই বিষয় মনোযোগ দেওয়া উচিত।

সে ভাবতে থাকে কিছু বুঝতে পারে না।

– তাদের এই অধিকারগুলি কি? যদি পুলিশ তাদের ভোট দেওয়ার নির্দেশ দেয় তবে তারা ভোট দেয় তাহলে আমরাও খুব সহজেই ডাক দিতে পারি: “হা…ম…বা!” এবং যদি তাদের আদেশ না দেওয়া হয় তবে তারা ঠিক আমাদের মতো ভোট দেওয়ার বা রাজনীতিতে ঢোকার সাহস করে না। সম্পূর্ণ নির্দোষ হলেও তারা কারাগারে  মারধোর খায়। তবুও আমরা আমাদের লেজ নাড়াই বা ডাক ছাড়ি কিন্তু এদের মধ্যে এমন সামান্য নাগরিক সাহসও নেই।

এবং এই মুহুর্তে, মালিক সরাইখানা থেকে বেরিয়ে আসে। মাতাল, হতবুদ্ধি, চোখ ঝাপসা, অবোধগম্য কিছু কথা বলতে বলতে টলতে টলতে গাড়ির দিকে এগিয়ে যায়।

– শুধু দেখুন, এই গর্বিত প্রজন্ম কিভাবে তার পূর্বপুরুষ যে রক্ত দান করে স্বাধীনতা অর্জন করেছিল সেই স্বাধীনতা কিভাবে ব্যবহার করছেন? ঠিক আছে, আমার মালিক মাতাল এবং চোর, কিন্তু অন্যরা কিভাবে স্বাধীনতা ব্যবহার করে? কেবল অলস হয়ে তাদের পূর্বসূরীদের যোগ্যতায় গর্ব করে, সেই ক্ষেত্রে আমার যতটা অবদান এদেরও ঠিক ততটাই অবদান। বদল হিসেবে, আমরা আমাদের পূর্বপুরুষদের মতো কঠোর পরিশ্রমী এবং প্রয়োজনীয় শ্রমিক হয়ে আছি। আমরা বলদ, তবে আমরা আজও আমাদের কঠোর পরিশ্রম এবং যোগ্যতা নিয়ে গর্ব করতে পারি।

বলদটি গভীর দীর্ঘশ্বাস ফেলল এবং জোয়াল লাগানোর জন্য নিজের ঘাড় প্রস্তুত করল।

 

বেলগ্রেডে, 1902।
“রাদ্বয়ে ডোমানোভিচ” প্রকল্পটির জন্য অনুবাদ করেছেন মৈত্রেয়ী মন্ডল, 2020।